
ব্র্যান্ডনামযুক্ত আইরিড ল্যাম্পগুলোর জন্য অতিরিক্ত অর্থ খরচ করা বন্ধ করুন। আমি অনেক ফার্নিচার নির্মাতাদের সাথে কথা বলি; তারা আইরিড ল্যাম্প পরিবর্তন করতে ভয় পান। তাদের বছরের পর বছর ধরে বলা হয়ে আসছে যে, যদি তারা “অরিজিনাল” ব্র্যান্ডের ল্যাম্প না কিনেন, তাহলে ল্যাম্পটি ঠিকমতো কাজ করবে না; আরও খারাপ হলো, এটি কন্ট্রোলারটিকেও নষ্ট করে দেবে। কিন্তু আসল ব্যাপারটা হলো: আইরিড হিটিং মূলত পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম। এটা কোনো জাদু নয়। যদি ওয়াটেজ, ভোল্টেজ ও আকার সঠিক থাকে, তাহলে ল্যাম্পটি পরিবর্তন করা যায়। এটা খুবই সহজ। সঠিকভাবে ল্যাম্প পরিবর্তন করার উপায় কোনো সমস্যা না হওয়ার জন্য, বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্যগুলো অবশ্যই একই হতে হবে। যদি আপনার মেশিনটি ২৩০V ১৫০০W ওয়াটের ল্যাম্প চায়, আর আপনি ২০০W ওয়াটের ল্যাম্প ব্যবহার করেন, তাহলে কাঠটি ঠিকমতো শুকাবে না। আবার, ওয়াটেজ বেশি হলে ব্রেকারগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে; আর ওয়্যারিংগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এটা ভালো কিছু নয়। ল্যাম্পের অভ্যন্তরীণ অংশ আমরা উচ্চ-ঘনত্বের কোয়ার্টজ গ্লাস ব্যবহার করি; কারণ আমাদের শর্টওয়েভ আইরিড রেজ দরকার। কাঠকে শুকানোর জন্য শর্টওয়েভই সবচেয়ে ভালো উপায়। এটা কাঠের অভ্যন্তর পর্যন্ত প্রবেশ করে; শুধুমাত্র কাঠের পৃষ্ঠটিকে ঝলসায় না। আরেকটি বিষয় হলো ল্যাম্পের কোটিং। কিছু ল্যাম্পে সোনা বা অ্যালুমিনিয়ামের কোটিং থাকে; এটা তাপকে আরও ঘন করে দেয়। এটা ভালো, কিন্তু এর ফলে ল্যাম্পটি আরও গরম হয়ে যায়। নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার কুলিং ফ্যানগুলো ঠিকমতো কাজ করছে; নইলে ল্যাম্পটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে। পাওয়ার সংক্রান্ত কিছু টিপস দেশীয় ল্যাম্পগুলোও ইউরোপীয় ব্র্যান্ডের ল্যাম্পগুলোর মতোই তাপ উৎপন্ন করে। কিন্তু আপনাকে আপনার বিদ্যুৎ সরবরাহ সিস্টেম সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। যদি আপনার অফিসে অস্থির বিদ্যুৎ থাকে, তাহলে যেকোনো ল্যাম্পই নষ্ট হয়ে যেতে পারে—ব্র্যান্ড যতই দামী হোক না কেন। যদি বিদ্যুৎ অস্থির থাকে, তাহলে ভোল্টেজ স্টেবিলাইজার ব্যবহার করুন। এটা ল্যাম্পগুলোকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য একটি সস্তা উপায়।